বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান পার্থক্য করা আমাদের কাজ নয়: উপদেষ্টা ফরিদা আখতার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলে কোনো শব্দ থাকতে পারে না। বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান পার্থক্য করা আমাদের কাজ নয়। সবাই এ দেশের নাগরিক।
উপদেষ্টা বলেন, হিড বাংলাদেশ এমন সময় ৫০ বছর পূর্তি করছে যখন ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আন্দোলনের ফলে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। হিড বাংলাদেশ যে শিশুদেরকে শিক্ষা দিচ্ছে আগামীতে এই শিক্ষার্থীরাই হিড বাংলাদেশকে শতবর্ষ বাঁচিয়ে রাখবে।
তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মে মানুষকে ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ সৃষ্টির সেরা জীব ঘোষণা করেছে। এই মানুষরা একসময় মানুষের ক্ষতি করে আবার উপকারও করে থাকে। কাজেই আমরা যদি আশরাফুল মাখলুকাত হতে চাই তাহলে সেবা করাই একমাত্র কাজ হতে পারে।
তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া নারী মুক্তির জন্য অনেক কিছু করেছেন। আজকের হীড বাংলাদেশ সেই ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাচ্ছে। দারিদ্র্যতা শুধু আর্থিক কারণে হয় না। আমাদের মানসিক, শিক্ষার কারণসহ অনেক কিছু দায়ি। হীড বাংলাদেশ নারীদের যোগ্যতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ধরণের সুবিধার জন্য যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা প্রশংসার যোগ্য।
উপদেষ্টা আরও বলেন, নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে যখন হিড বাংলাদেশকে চিনতাম-তাদের অনেক মানবিক কাজের মধ্যে কুষ্ঠ রোগীদের চিকিৎসা অন্যতম মানবিক কাজ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। সেসময় অনেক মানুষই কুষ্ঠ রোগীদের নিকটে পর্যন্ত যায়নি কিন্তু হিড বাংলাদেশ তাদের সেবা করেছে।
রেভারেন্ড বায়রন পি.বনিক’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদূর রহমান, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান, পিকেএসএফ’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের, আর্চবিশপ বিজয় এন.ডি ক্রুজ, প্যাট্রিক ডি' রোজারিও, হীড বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেনসহ এর প্রতিনিধিরা ।
তার আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা পায়রা এবং বেলুন উড়িয়ে হিড বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তিতে শুভ উদ্ভোধন করেন এবং পরে কেক কাটেন।
.png)
0 Comments