Header Ads Widget

শীতকালীন আবহাওয়ার পরিবর্তন

 শীতকালীন আবহাওয়ার পরিবর্তন 


রংপুরে প্রচুর ঠান্ডা পড়ছে । আমাদের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে বলছিলেন রংপুরের একজন ব্যবসায়ী।

পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় পরিস্থিতি প্রায় একই রকম। শুক্রবার সেখানে দেশের সর্বনিম্ন ৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

 তীব্র শীতের প্রভাব দেশকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই ঢাকায় শীতের অনুভূতি স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।


ডিসেম্বর মাস থেকে শীতের আগমন সাধারণত দেখা যায়, কিন্তু অনেকের মতে, এবারের শীত কিছুটা দেরিতে এসেছে। 

তবে আবহাওয়াবিদদের মধ্যে এ বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে। তাদের মতে, দিনের এবং রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বেশি হচ্ছে।

শীতের তীব্রতা বিভিন্ন ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে, যেমন কুয়াশা, জলীয়বাষ্প এবং ভূপৃষ্ঠে সূর্যের আলো কতক্ষণ থাকে।

 এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শীতের সময়কাল কিছুটা হ্রাস পাওয়ার বিষয়টি বেশ কিছু গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।


শীতের সময় আগের তুলনায় কমে গেছে

এবছর শীতের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ। তিনি জানান, "ঘন কুয়াশার প্রভাবে রাতের তুলনায় দিনের তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে এবং পুরো মাসজুড়ে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করবে।"


২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, "দেশের পশ্চিম, উত্তর ও উত্তরপূর্বাঞ্চলে এক থেকে দুইটি মাঝারি থেকে তীব্র এবং দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হতে পারে।"



এছাড়া, তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাপমাত্রা যদি চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়, তবে সেটিকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।


ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর শীতের তীব্রতা কমে যাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মি. রশিদ।

"পূর্বের তুলনায় শীতের সময়কাল হ্রাস পেয়েছে। আগে ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে শীত অনুভূত হতো। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, ডিসেম্বরে তেমন শীত অনুভূত হয় না। জানুয়ারিতে কিছুটা শীত থাকে," তিনি উল্লেখ করেন।


Post a Comment

0 Comments